গঠনতন্ত্র

          অভিযান/OVIZAN
     (একটি মানব উন্নয়ন সংস্থা)
স্থাপিত : ১০/০৭/২০০২ ইং
গভ: রেজি : নং :                             ব্রা‏হ্মণ-৩৬৬/২০০৩

মির্জাপুর মোড়, উপজেলা : বিজয়নগর, জেলা: ব্রা‏হ্মণবাড়িয়া।
মোবাইল: ০১৭৪৫-৩৪৫ ৩৪৬, ০১৭১৫-২৯ ০০ ০০

“গঠনতন্ত্র”(সংশোধিত)

উপস্থাপনা: “অভিযান” সর্বস্তরে শান্তি প্রতিষ্ঠাসহ মানব উন্নয়ন ও সংরক্ষণে নিবেদিত একটি স্বেচ্ছাসেবী, অরাজনৈতিক ও অলাভজনক মানব উন্নয়ন বিষয়ক এবং নির্যাতন বিরোধী বৃহত্তর প্রতিষ্ঠান। দেশের তথা সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ যথাক্রমে শিক্ষাবিদ, আইনবিদ, সাংবাদিক, চিকিৎসক সহ সমাজের সর্বস্থরের মানুষকে নিয়ে মানব উন্নয়ন ও সংরক্ষণকল্পে অসহায় নারী-পুরুষদের কল্যাণ, অসহায় নারী পুরুষদের পাশে থেকে তাদের বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করণ, সর্বস্তরের মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে উঠান বৈঠক, সেমিনার, কর্মশালা ও প্রশিক্ষনে আয়োজন করা, মানব উন্নয়নমূলক বিভিন্ন পুস্তিকা, লিফলেট, পোষ্টার প্রকাশনা, আত্মনির্ভরশীল প্রকল্প চালু করা, দুর্যোগকালীন সময়ে দুর্গতদের পাশে এগিয়ে আসা, বহুমুখী কর্মসূচী অব্যাহত ভাবে পালন সহ মানব উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে “অভিযান”।

১। সংস্থার নাম :

অভিযান/OVIZAN

(একটি মানব উন্নয়ন সংস্থা)

২। সংস্থার নিবন্ধিত ঠিকানা : গ্রাম-ডালপা, ডাকঘর-দাউদপুর ইছাপুরা, উপজেলা-বিজয়নগর,
জেলা- ব্রা‏হ্মণবাড়িয়া।

৩। সংস্থার মনোগ্রাম: গোলবৃত্তে সহযোগিতার হাত, বৃত্তের উপরে সবুজ রঙ্গে সংস্থার নাম এবং বৃত্তের
নিচে লাল রঙ্গে একটি মানব উন্নয়ন সংস্থা লেখা থাকবে।

৪। সংস্থার কার্য এলাকা : সমগ্র ব্রা‏হ্মণবাড়িয়া জেলা ও পরবর্তী পর্যায়ে নিবন্ধিকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে সম্প্রসারণ করা যাবে এবং সংস্থার কার্য এলাকায় অফিস/শাখা অফিস স্থাপন করতে পারবে।

৫। বৎসর গণনা : প্রতি বৎসর ১লা জানুয়ারী হতে ৩১ শে ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং অর্থবছরের ক্ষেত্রে জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত বৎসর গণনা করা হবে।

ক। প্রচারণা ঃ অভিযানের কর্মকান্ডকে গতিশীল ও কার্যক্রমকে প্রসার করতে হলে তার যথাযথ প্রচারণা আবশ্যক। প্রচারণায় মানব উন্নয়নে কর্মীদের কর্মকান্ডকে গতিশীল করবে। অভিযানের সদর দপ্তরের কর্মকান্ড প্রচারের পাশাপাশি শাখার তদন্ত প্রতিবেদন শাখার মাসিক প্রতিবেদন এবং শাখা এলাকার স্থানীয় ও জাতীয় সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে শাখাগুলো নিজ নিজ কর্মকান্ড নানা ভাবে প্রচারণা চালাতে পারবে। অভিযানের কার্যক্রম প্রচারের লক্ষ্যে সদর দপ্তরের পাশাপাশি শাখাগুলো জার্নাল বা স্মরণিকা প্রকাশ, পোষ্টার ও ক্যালেন্ডার প্রকাশ এবং মানবাধিকার কর্মকান্ডে অবদান রাখার জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে পদক প্রদান করে প্রচারণা বৃদ্ধি করতে পারবে।

খ। সাইন বোর্ড ব্যবহার ঃ অভিযানের সদর দপ্তর সহ প্রতিটি শাখা তার দপ্তরের সামনে অবশ্যই সাইন বোর্ড লাগাতে বাধ্য থাকবে। এছাড়া প্রধান প্রধান সড়কের পাশে তীর মার্ক দিয়ে একাধিক সাইনবোর্ড লাগানো ছাড়াও বিমান বন্দর, রেল ষ্টেশন, বাস টার্মিনাল, লঞ্চ ঘাট, আদালত প্রাঙ্গন সহ বিশেষ জন চলাচল এলাকায় মানবাধিকার সংক্রান্ত বাণী সহ সাইনবোর্ড অভিযানের সদর দপ্তর ও শাখাগুলো লাগাতে পারবে। অভিযানের সাইনবোর্ডগুলো সাদা রংয়ের মধ্যে অভিযান লেখাটি সবুজ এবং একটি মানব উন্নয়ন সংস্থা লেখাটি লাল হবে। এছাড়া প্রতিটি সাইনবোর্ড/ লিফলেট/পোষ্টার/ পেষ্টুনে অভিযানের প্রতিষ্ঠাতার নাম ও মনোগ্রাম থাকবে। সাইনবোর্ডগুলোর মাপ ৬ ফুট থেকে ১২ ফুট লম্বা এবং ২ থেকে ৩ ফুট প্রস্থ হবে।

গ। রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ঃ অভিযানের সদর দপ্তর সহ সকল শাখা বে-সরকারি মানব উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাষ্ট্রীয় কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করবে এবং বিভিন্ন দিবস পালনের মাধ্যমে জনসমাজকে অবগত করবে।

ঙ। পরিচয় পত্র ঃ অভিযানের কার্য নির্বাহী কমিটির সকল সদস্য/সদস্যা সহ সকল শাখা সদস্য/সদস্যাদের পরিচয় পত্র থাকবে। সদর দপ্তর সহ সকল শাখার কর্মকর্তা কর্মচারী জেলা, উপজেলা, আঞ্চলিক, বিশ্ববিদ্যালয়, পৌরসভা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড কমিটি সহ সকল শাখার সদস্যদের পরিচয়পত্রে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর থাকবে। শুধুমাত্র উপদেষ্টা পরিষদের ক্ষেত্রে উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান স্বাক্ষর করবেন। বাকী সকল ক্ষেত্রে কার্য নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর থাকবে।

চ। ভিজিটিং কার্ড ঃ কার্য নির্বাহী কমিটির সকল সদস্যগণ, সাধারণ পরিষদের সকল সদস্যগণ, উপদেষ্টা পরিষদের সকল সদস্যগণ সকল শাখা কমিটির সদস্যগণ, অভিযানের বেতনভোগী কর্মকর্তা/ কর্মচারীগণ অভিযানের মনোগ্রাম যুক্ত ভিজিটিং কার্ড ছেপে তাদের পদ/পদবি ব্যবহার করতে পারবেন।

ছ। চুক্তিপত্র সম্পাদন ঃ সংস্থার নামে কোন দলিল বা চুক্তিপত্র সম্পাদন করতে হলে সংস্থার চেয়ারম্যান ও মহাসচিবের যুক্ত স্বাক্ষরের প্রয়োজন হবে। অন্যতায় তা গ্রহণ যোগ্য হবে না।

১৯। গঠনতন্ত্র সংশোধন / সংযোজন ঃ গঠনতন্ত্রের যে কোন বিষয়ের উপর সংশোধনী/ সংযোজনী /পরিবর্তন আনতে হইলে সংশোধিত অনুচ্ছেদের প্রস্তাবলী প্রথমে সাধারণ পরিষদ সভায় পেশ করতে হবে এবং যথা নিয়মে সাধারণ সভায় দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের অনুমোদন লাভের পর উহা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নিবন্ধিকরণ কর্তৃপক্ষ সমীপে পেশ করতে হবে। নিবন্ধিকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাভের পর উক্ত সংশোধনী/সংযোজনী কার্যকর হবে।
উল্লেখ্য যে, সংস্থার প্রতিষ্ঠাতার নাম পরিবর্তন কিংবা সংযোজন করা যাবে না।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •